লাব্বাইক২৪:
শি’আরে ইসলামকে অসম্মান করা মারাত্মক গুনাহ। এর দ্বারা অন্তর কলুষিত হয়। অন্তর হতে আল্লাহ পাকের মহব্বত ইসলামের মহব্বত ধীরে ধীরে কমে যেতে যেতে একপর্যায়ে তা বিলিন হয়ে কুফর পর্যন্ত পৌঁছায়। আল্লাহ-তা’আলা বলেন, তোমরা আল্লাহর নিদর্শনকে অসম্মান করো না।[মাইদা ২] আল্লাহ-তা’আলা নিদর্শন তথা শি’আরে ইসলামকে সম্মান করা ফরজ।

হাসান বসরী রহ. বলেন, আল্লাহর নিদর্শনাবলীর অর্থ ফরজ ওয়াজিব এবং এদের
সীমানা। [রূহুল মাআনি] নিন্মে উল্লেখিত বিষয়গুলো আমাদের সমাজে অহরহ পরলক্ষিত হচ্ছে-

* ঘর ঝাড়ু দেয়ার সময় জেনেশুনে ‘আল্লাহ’ লেখাযুক্ত কাগজকে ঝাড়ু দেয়া।[মাইদা ২]
* ‘আল্লাহ’ লেখাযুক্ত কাগজকে ময়লার ঝুড়িতে, আবর্জনার স্তুপে ফেলা। [মাইদা ২]

* চর্ম রোগকে ‘দাউদ’ বলা; বাচ্চাকে পেশাব করানোর সময় ‘শিস কর’ বলা। [মাইদা ২]

উপরোক্ত কাজগুলো কোনোভাবেই আমাদের করা উচিত নয়। ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় হোক এসব আমাদের বর্জন করা উচিত।

প্রত্যেক নবীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ফরজ। তাই এমন কোনো কথা বা কাজ না করা জরুরি যা দ্বারা কোনো নবীর প্রতি অসম্মান, তাচ্ছিল্য ভাব ফুটে উঠে, যদিও তাতে অসম্মানের নিয়ত না থাকে। অসম্মানের নিয়ত থাকলে তো কুফর হবে।

চর্ম রোগকে দাউদ বলার দ্বারা নবী হজরত দাউদ আ. কে অসম্মান করা হয়। যা বিধর্মীদের একটি কুটচাল হতে পারে। এ থেকে বিরত থাকা আমাদের জন্য জরুরি।

বাচ্চাকে পেশাব করানোর সময় ‘শিস কর’ বলার বিষয়টিও অনুরূপ। এর দ্বারা হজরত
শিস আ. কে অসম্মান করা হয় বিধায় এটাও পরিহার করতে হবে।

চর্ম রোগকে ‘দাউদ’ বলা, পেশাব করানোর সময় ‘শিস কর’ বলার সূচনাটা সম্ভবত কোনো অমুসলিমের দ্বারা হয়েছে। আর আমরা মুসলমানরা ঈমানী গায়রতকে বিসর্জন দিয়ে ওই শব্দগুলো অহরহ ব্যবহার করছি। আল্লাহ আমাদের বুঝার তওফিক দিন। উপকারী মনে হলে পোস্টটি অবশ্যই শেয়ার করুন।